
কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে ইয়াবা ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও পূর্ববিরোধের জেরে সশস্ত্র হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে জিয়াবুল হক (২০) ও বাহাদুর (৩০) নামের দুজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় জিয়াবুল হককে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার (৪ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে, রামু থানার ৩ নম্বর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হলির ডেফা মুখ, পূর্ব হাজীর পাড়া এলাকায়।
ঘটনার মাত্র ৩-৪ ঘণ্টা আগে প্রধান অভিযুক্ত ও চিহ্নিত মাদক কারবারি মোহাম্মদ রুবেল ভুক্তভোগী জিয়াবুল হকের পিতা মুগ্গুল আহম্মদকে সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেছিলেন যে তিনি তার ছেলেকে মেরে ফেলবেন।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, চিহ্নিত মাদক কারবারি মোহাম্মদ রুবেলের (২৬) নেতৃত্বে ৭-৮ জনের একটি সশস্ত্র দল অতর্কিতভাবে এই হামলা চালায় এবং প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ করে।
হামলায় নেতৃত্বদানকারী মোহাম্মদ রুবেল কচ্ছপিয়ার পূর্ব হাজীর পাড়া (বালু ভাসা) এলাকার গোল্লাল আহম্মদের ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তার বিরুদ্ধে এর আগেও মাদকসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার রেকর্ড রয়েছে তিনি তালিকা ভুক্ত মাদক কারবারি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
হামলায় আহত জিয়াবুল হক একই এলাকার মুগ্গুল আহম্মদের ছেলে এবং অপর আহত বাহাদুর একই এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে জয়নাল আবেদীন ও আব্দুল মাঈনুদ্দীন বাবুর নাম জানা গেছে।
দিনের আলোয় জনবহুল এলাকায় অস্ত্র উঁচিয়ে গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর জোরালো আশঙ্কা, দ্রুত এই সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তার করা না হলে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে রামু থানা পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং প্রধান অভিযুক্ত রুবেল ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।