October 28, 2026, 10:02 pm
শিরোনাম :
ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদসহ মালামাল জব্দ সব সম্পদের বিনিময়ে মুক্তি চান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর এনসিপির জেলা থেকে ওয়ার্ড কমিটিতে থাকতে পারবেন না চলমান শিক্ষার্থীরা কাবা শরীফে পৃথক জামাতের প্রচলন বন্ধ করে এক ইমামের পেছনে নামাজের ১০০ বছর মিরপুরে আলোকস্বল্পতায় বন্ধ খেলা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমাতে চায় সরকার : প্রতিমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব ইসরায়েলিদের সঙ্গে জোট করার আহ্বান বিরোধী নেতার চট্টগ্রামে দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোক স্টুডিওর বিশেষ প্রতিযোগিতা সেনাবাহিনী মোতায়েন ও ইউএনও প্রত্যাহারসহ চার দাবি ১১ দলীয় জোটের

টেকনাফে ইয়াবা ও মানব পাচারের গডফাদার রোহিঙ্গা আলী ওরফের দ্রুত গ্রেফতানের দাবি।

Reporter Name

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের কৌশলগত ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পৌরসভা পুরাতন পল্লন পাড়া ঠিক উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের ঠিক পেছনেই। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাসা ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নির্বিঘ্নে অবস্থান করছে মিয়ানমারের কেরানপুর এলাকার চিহ্নিত শীর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আলী ওরফে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিজেকে আড়াল করে এই আলীর নিয়ন্ত্রণে গড়ে উঠেছে অপরাধের এক বিশাল সিন্ডিকেট। সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার বড় বড় চালান দেশে প্রবেশ করানো এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার মূল হোতা (গডফাদার) হিসেবে কাজ করছে সে। শুধু ইয়াবা কারবারই নয়, তার বিরুদ্ধে রয়েছে আঞ্চলিক মানব পাচার ও সংঘবদ্ধ অপহরণ চক্র পরিচালনার মারাত্মক সব অভিযোগ।

পল্লন পাড়ার একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আলী ওরফে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। বহিরাগত একজন রোহিঙ্গা শরণার্থী হয়ে কীভাবে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভবনের কাছেই ভাড়া বাসা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে এত বড় অপরাধ সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে জনমনে।

এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আলীর ওরফের বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট তথ্য ও নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সে কীভাবে এখনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে কিংবা নজরদারির আড়ালে রয়ে গেছে, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

এ অবস্থায় টেকনাফ তথা কক্সবাজারের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চিহ্নিত এই রোহিঙ্গা অপরাধীকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য কক্সবাজার জেলা পুলিশ, র‌্যাব ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি ও আশু হস্তক্ষেপ দাবি করছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন এলাকাবাসী।