October 28, 2026, 10:44 pm
শিরোনাম :
ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদসহ মালামাল জব্দ সব সম্পদের বিনিময়ে মুক্তি চান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর এনসিপির জেলা থেকে ওয়ার্ড কমিটিতে থাকতে পারবেন না চলমান শিক্ষার্থীরা কাবা শরীফে পৃথক জামাতের প্রচলন বন্ধ করে এক ইমামের পেছনে নামাজের ১০০ বছর মিরপুরে আলোকস্বল্পতায় বন্ধ খেলা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমাতে চায় সরকার : প্রতিমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব ইসরায়েলিদের সঙ্গে জোট করার আহ্বান বিরোধী নেতার চট্টগ্রামে দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোক স্টুডিওর বিশেষ প্রতিযোগিতা সেনাবাহিনী মোতায়েন ও ইউএনও প্রত্যাহারসহ চার দাবি ১১ দলীয় জোটের

উনচিপ্রাং ক্যাম্পে হেড মাঝির বিরুদ্ধে নারীর অভিযোগ বিয়ে ও স্বর্ণালংকারের প্রলোভন, ব্ল্যাকমেইল ও রাতে বসতঘরে গিয়ে হুমকির অভিযোগ

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার ২২ নম্বর উনচিপ্রাং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে মোহাম্মদ রফিক (৪৩) নামে এক হেড মাঝির বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন, ব্ল্যাকমেইল, হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পের বাসিন্দা তাহেরা (২৭) ক্যাম্প ইনচার্জের (সিআইসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

লিখিত অভিযোগে তাহেরা জানান, ২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি উনচিপ্রাং ক্যাম্পে বসবাস করছেন। রফিকের কোনো সন্তান না থাকায় তাহেরার ছোট সন্তান রাহাতকে দত্তক নেওয়ার বিষয়ে তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন। পারিবারিক অভাব-অনটনের কারণে তাহেরা এতে সম্মত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীর দাবি, সন্তান দত্তক দেওয়ার বিষয়কে কেন্দ্র করে রফিকের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ চলতে থাকে। একপর্যায়ে রফিক তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার দেওয়ার পাশাপাশি তার আরও পাঁচ সন্তানসহ পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে অভিযোগ করেন তাহেরা।

তাহেরার দাবি, ওই আশ্বাসে বিশ্বাস করে প্রায় ১০ মাস আগে তিনি তার স্বামীকে তালাক দেন। এরপর রফিক তাকে বিয়ে না করে বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন এবং অনৈতিক প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানোর উদ্যোগ নিলে রফিক তাকে ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানি শুরু করেন। তার ব্যক্তিগত কিছু ভিডিও ও অডিও রেকর্ড করে মোবাইল ফোনে পাঠানোর অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগকারীর ভাষ্য, গত ৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে রফিক তার বসতঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি পুলিশকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার কথাও লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া রফিক দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের অসহায় নারীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তাহেরা। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

লিখিত অভিযোগের সঙ্গে ভিডিও ধারণের একটি মেমোরি কার্ড সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগকারী বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাইপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ রফিকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।