April 18, 2026, 4:50 am
শিরোনাম :
ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সহ কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। বিএনপি নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের আর কোন মানুষ গুম হবে না-সালাউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার-মহেশখালীর পর মগনামা-কুতুবদিয়ায় যুক্ত হল সী-ট্রাক এস.কে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়াম্যান মানবিক মোঃ হেফাজ উদ্দিন নয়নের উদ্যোগে ৩য় দফা খুরুশকুল ও পি.এম খালীর কার্ডদ্বারী ভুক্তাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এস.কে ফাউন্ডেশনের কার্ডদ্বারী ভুক্তাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ রামু থানা পুলিশ ও ঈদগড় ক্যাম্পের অভিযানে রাইফেলের গুলি ও কার্তুজ উদ্ধার টেকনাফের বাহারছড়ায় মানব পাচার চক্র ও ডাকাতদলের গুলাগুলিতে সুমাইয়া নামের এক তরুণী নিহত ওসমানী মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষনা করেছন। এস.কে প্রতিবন্ধি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধি ও হতদরিদ্রদের মাঝে পারিবারিক খাদ্য সামগ্রী কার্ড বিতরণ প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা করেছে এক কলেজ ছাত্র

মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতের জেরে ছোড়া গুলিতে এক শিশু নিহত

টেকনাফ প্রতিনিধি

কক্সবাজারে টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতের জেরে ছোড়া গুলিতে এক শিশু নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছে। হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র রুদ্র জানান  রবিবার সকাল ৯টায় টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে । নিহত শিশুর নাম আফনান (৭) একই এলাকার জসিম উদ্দিনের মেয়ে বলে জানা গেছে। রবিবার সকালে টেকনাফে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ এলাকা সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার অভ্যন্তরে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি এবং রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে  তীব্র সংঘাতের ঘটনা  ঘটে, এতে দুইপক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপীরও সময় ধরে গোলাগুলি চলে। এক পর্যায়ে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা সীমান্তের শূন্যরেখার দিকে পিছু হটে অবস্থা নেয়। পরে সকাল ৯টার দিকে আবারও দ্বিতীয় দফা উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘাত সৃষ্টি হয়। এ সময় মিয়ানমারের দিক থেকে ছোড়া গুলিতে সীমান্তে বসবাস করা বাংলাদেশি এক বসতঘরে আঘাত হানে। এতে এপারের বাংলাদেশি এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। তিনি আরও বলেন, ঘটনার খবর শুনে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও এপিবিএন সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। উত্তেজিত স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ঘটনাস্থলে যেতে বাধা দেওয়ায় সেখানে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না । পরে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও এপিবিএন এর অধিক সদস্য গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং গঠনাস্থল থে ৩৭জন রোহিঙ্গা বিদ্রোহী কে আটক করে হোয়াইকং পুলিশ ফাড়িঁতে নিয়ে আসে।