October 28, 2026, 10:45 pm
শিরোনাম :
ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদসহ মালামাল জব্দ সব সম্পদের বিনিময়ে মুক্তি চান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর এনসিপির জেলা থেকে ওয়ার্ড কমিটিতে থাকতে পারবেন না চলমান শিক্ষার্থীরা কাবা শরীফে পৃথক জামাতের প্রচলন বন্ধ করে এক ইমামের পেছনে নামাজের ১০০ বছর মিরপুরে আলোকস্বল্পতায় বন্ধ খেলা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমাতে চায় সরকার : প্রতিমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব ইসরায়েলিদের সঙ্গে জোট করার আহ্বান বিরোধী নেতার চট্টগ্রামে দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোক স্টুডিওর বিশেষ প্রতিযোগিতা সেনাবাহিনী মোতায়েন ও ইউএনও প্রত্যাহারসহ চার দাবি ১১ দলীয় জোটের

টেকনাফে জননিরাপত্তা জোরদার: হ্নীলা ও বাহারছড়ায় সরজমিনে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প পরিদর্শন।

সালমান রাশেদ, টেকনাফ উপজেলা প্রতিনিধি।

কক্সবাজারের সীমান্তঘেঁষা টেকনাফ উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং জননিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সরজমিনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করা হয়েছে। সম্প্রতি টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এবং বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইল এলাকায় অবস্থিত সেনাবাহিনী ও যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পসমূহ এই পরিদর্শনের আওতায় আসে।

পরিদর্শনকালে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ক্যাম্পগুলোর প্রশাসনিক ও অপারেশনাল কার্যক্রম খতিয়ে দেখেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন। স্থানীয় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

সীমান্ত ও পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি: রঙ্গিখালী ও বাহারছড়া বড় ডেইল এলাকা পাহাড় এবং সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় ডাকাতি, মাদক চোরাচালান ও অপহরণের ঝুঁকি রয়েছে। এসব প্রতিরোধে পাহাড়ি ও উপকূলীয় এলাকাগুলোতে যৌথ টহল বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থানীয়দের সাথে আস্থা বৃদ্ধি: পরিদর্শনকালে সেনা কর্মকর্তারা স্থানীয় জনগণের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করা এবং সেনা ক্যাম্পগুলোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের যেকোনো জরুরি সহায়তায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিদর্শন শেষে জানানো হয়, টেকনাফে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন একযোগে তাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখবে।