April 18, 2026, 4:50 am
শিরোনাম :
ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সহ কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। বিএনপি নির্বাচিত হলে বাংলাদেশের আর কোন মানুষ গুম হবে না-সালাউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার-মহেশখালীর পর মগনামা-কুতুবদিয়ায় যুক্ত হল সী-ট্রাক এস.কে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়াম্যান মানবিক মোঃ হেফাজ উদ্দিন নয়নের উদ্যোগে ৩য় দফা খুরুশকুল ও পি.এম খালীর কার্ডদ্বারী ভুক্তাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এস.কে ফাউন্ডেশনের কার্ডদ্বারী ভুক্তাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ রামু থানা পুলিশ ও ঈদগড় ক্যাম্পের অভিযানে রাইফেলের গুলি ও কার্তুজ উদ্ধার টেকনাফের বাহারছড়ায় মানব পাচার চক্র ও ডাকাতদলের গুলাগুলিতে সুমাইয়া নামের এক তরুণী নিহত ওসমানী মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষনা করেছন। এস.কে প্রতিবন্ধি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধি ও হতদরিদ্রদের মাঝে পারিবারিক খাদ্য সামগ্রী কার্ড বিতরণ প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আত্মহত্যা করেছে এক কলেজ ছাত্র

দ্বিতীয় বিয়ে করতে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না- হাই কোর্ট

অনলাইন ডেক্স

পুরুষের জন্য মুসলিম আইনানুযায়ী  ‍দ্বিতীয় বিয়ে জায়েজ থাকলেও বাংলাদেশের আইনি প্রেক্ষাপটে তা ছিলো, গুরুত্বর অপরাধ ও নৈতিকতার লঙ্ঘন। কিন্তু সম্প্রতি হাইকোর্টের এক রায়ে পাল্টে যেতে চলেছে বহুদিন ধরে চলে আসা এই রীতি। এবার প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে, ঠিক এমনই এক রায় দিয়েছেন বাংলাদেশ হাইকোর্ট। মুসলিম পারিবারিক আইনের একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নয়, বরং আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ভিত্তিতেই বিষয়টি নিষ্পন্ন হবে। এতদিন প্রচলিত ছিলো, স্ত্রী বা প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে না। তবে আদালত বলেন, এ বিষয়ে মুসলিম পারিবারিক আইনে সরাসরি এমন বাধ্যবাধকতার কোনো অস্তিত্ব ছিল না। ২৪ পাতার একটি পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতির বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলে ন্যস্ত থাকায় স্ত্রী অনুমতি বাধ্যতামূলক হবে না। ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় স্ত্রী বা স্বামী অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান থাকলেও পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন চালুর মাধ্যমে নারীর ক্ষেত্রে ওই সাজা বহাল থাকলেও পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ে ঠেলে দেওয়া হয় আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ওপর। সেক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে এক বছর কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা ছিল। তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীরা আপিলের ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলছেন, আদালতের সিদ্ধান্তে বহু বিবাহের ক্ষেত্রে নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হতে পারে। তাদের দাবি, নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে সমান অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই রিট করা হয়েছিল। সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে, আর্থিক সক্ষমতা ও মনস্তাত্ত্বিক প্রলোভন থেকে বহু পুরুষ একাধিক বিয়ের সুযোগ অপব্যবহার করার ঝুঁকি থাকে। ফলে সমাজে অসাম্য ও পারিবারিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। তাই বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার কথা জানান তারা। এদিকে বিষয়টি এখন আপিল বিভাগে গেলে তা নজরকাড়া আলোচনার জন্ম দেবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।