
দীর্ঘ ১৮ বছর পর আগামীকাল ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে বাংলাদেশ আসছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধান মন্ত্রীর বড় ছেলের আগমনকে ঘিরে সারাদেশের বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে ফিরে আসতে চলেছে অতিরিক্ত আনন্দ-উচ্ছ্বাস। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে ঢাকায় গিয়ে উপস্থিত হয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা । এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলা থেকে প্রায় ১০-১২ হাজারেরও অধিক নেতাকর্মী এখন রাজধানীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ থেকে কাছাকাছি অবস্থান করছেন, ঢাকা থেকে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে দুরত্ব হওয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীরা গত ২২ ডিসেম্বর থেকেই যাত্রা শুরু করে গতকাল ২৩ ডিসেম্বর পৌঁছেছেন এবং আজও অনেকে উপস্থিত হবেন। ইতিমধ্যে যেসব নেতাকর্মী কক্সবাজার থেকে ঢাকা পৌছে গিয়েছেন তারা নিজের ফেসবুক আইডি থেকে ঢাকা পূর্বাচলে প্রস্তুতকৃত মঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে পোস্ট করে জেলার বিএনপির নেতকর্মীদের উদ্বুদ্ধ করছেন ইতিহাসের সাক্ষী হতে। নেতাকর্মী জানান, বহুল প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে অবশেষে, নেতা আসছেন। আমরা খুবই উচ্ছ্বসিত, অনেকেই অগ্রিম চলে এসেছেন। মনে হচ্ছে তারেক রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে রেকর্ড পরিমাণ লোকের সমাগম হবে যা এর আগে বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক সংগঠন করতে পারেনি। জেলার বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ইউনিটের সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরাও বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান রত আছে, অপেক্ষা করছেন কাঙ্ক্ষিত ইতিহাসের সাক্ষী হতে। কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলার নেতকর্মী রা বলেন আমরা এই মুহুর্তে ঢাকায় আছি, এক ঐতিহাসিক মুহুর্ত পেতে যাচ্ছি। অবশেষে প্রিয় ভারপ্রপ্ত চেয়ারম্যানকে দেশের মাটিতে দেখতে পাব, যেটা হবে আমাদের দীর্ঘ রাজনীতির পথচলার অমূল্যপ্রাপ্তি। কক্সবাজার জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন আজ রাতেও বাসে-ট্রেনে অসংখ্য নেতাকর্মী ঢাকায় অবস্থান করবেন যা ২৫ ডিসেম্বর সকালে ঢাকা পূর্বাচলের অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত থাকবেন কক্সবাজারের ২০-২২ হাজারের অধিক নেতাকর্মী