October 28, 2026, 10:44 pm
শিরোনাম :
ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদসহ মালামাল জব্দ সব সম্পদের বিনিময়ে মুক্তি চান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর এনসিপির জেলা থেকে ওয়ার্ড কমিটিতে থাকতে পারবেন না চলমান শিক্ষার্থীরা কাবা শরীফে পৃথক জামাতের প্রচলন বন্ধ করে এক ইমামের পেছনে নামাজের ১০০ বছর মিরপুরে আলোকস্বল্পতায় বন্ধ খেলা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমাতে চায় সরকার : প্রতিমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব ইসরায়েলিদের সঙ্গে জোট করার আহ্বান বিরোধী নেতার চট্টগ্রামে দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোক স্টুডিওর বিশেষ প্রতিযোগিতা সেনাবাহিনী মোতায়েন ও ইউএনও প্রত্যাহারসহ চার দাবি ১১ দলীয় জোটের

উৎসবমুখর পরিবেশে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা

নিজস্ব প্রতিবেদক | নিউজ কক্সবাজার.নেট

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

 

কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত বিপুলসংখ্যক প্রতিমা সমুদ্র সৈকতে বিসর্জন দেওয়া হয়। এ সময় সমুদ্র সৈকতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে আবেগ, আনন্দ ও সম্প্রীতির আবহ বিরাজ করে।

 

প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

 

প্রতিমা বিসর্জন উপলক্ষে সমুদ্র সৈকত এলাকায় ভক্ত ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান ভক্তরা। আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যেও দেবীর বিদায়বেলায় অনেকের মাঝে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়।

 

শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপনী পর্বের এই প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান কক্সবাজারের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরে।