October 28, 2026, 10:45 pm
শিরোনাম :
ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদসহ মালামাল জব্দ সব সম্পদের বিনিময়ে মুক্তি চান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর এনসিপির জেলা থেকে ওয়ার্ড কমিটিতে থাকতে পারবেন না চলমান শিক্ষার্থীরা কাবা শরীফে পৃথক জামাতের প্রচলন বন্ধ করে এক ইমামের পেছনে নামাজের ১০০ বছর মিরপুরে আলোকস্বল্পতায় বন্ধ খেলা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমাতে চায় সরকার : প্রতিমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব ইসরায়েলিদের সঙ্গে জোট করার আহ্বান বিরোধী নেতার চট্টগ্রামে দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোক স্টুডিওর বিশেষ প্রতিযোগিতা সেনাবাহিনী মোতায়েন ও ইউএনও প্রত্যাহারসহ চার দাবি ১১ দলীয় জোটের

নির্বাচনী ব্যবস্থা ঠিক না করলে গুন্ডাতন্ত্রই আমাদের শাসন করে যাবে-তাসনিম জারা

অনলাইন ডেস্ক

নির্বাচনী ব্যবস্থা ঠিক না করলে গুন্ডাতন্ত্রই আমাদের শাসন করে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা।

শনিবার (১৭ অক্টোবর ) মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

তিনি লেখেন,অস্ত্র হাতে মানুষকে ধাওয়া করছেন যিনি, তিনি আমাদের সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী। সেই ভিডিও আবার তার নিজের পেজ থেকেই প্রচার করা হচ্ছে।

প্রকাশ্যে এই গুন্ডামি দেখানো মানুষ কীভাবে আমাদের শাসন করার দায়িত্ব পান, সেই প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সমাজে কি এর চেয়ে যোগ্য ও দায়িত্বশীল মানুষ নেই? অবশ্যই আছেন। কিন্তু তাদের নির্বাচনে দাঁড়ানো, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এবং জিতে সংসদে যাওয়ার বাস্তব সুযোগ প্রায় বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

‌’একজন নতুন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে দাঁড়াতে চাইলে শুরুতেই তাকে হাজার হাজার মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হবে। অন্য পথ হলো কোনো দলের কাছে মনোনয়নের জন্য তদবির করা। আর দলগুলো কাদের, কোন প্রক্রিয়ায় মনোনয়ন দেয়, সেটা আমরা বছরের পর বছর ধরে দেখেই আসছি।’

তিনি আরও লেখেন, কোনোভাবে যদি আপনার মনোনয়ন বৈধ হয়, এরপর আসে নির্বাচনী খরচের সীমা। আইন মেনে চলা প্রার্থীকে সেই সীমার মধ্যে প্রচার চালাতে হবে। অন্যদিকে প্রভাবশালী প্রার্থীরা সীমা ভেঙে বিপুল অর্থ ঢাললেও কমিশন সেটা না দেখার ভান করে থাকে। আপনি যদি সততার সঙ্গে নির্বাচন করতে চান, তাহলে আইন মানাটাই আপনার পিছিয়ে পড়ার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তারপর আসে ভোটের দিন। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও অনিয়ম ঠেকানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু বাস্তবে সেই দায়িত্বও আপনার ঘাড়ে এসে পড়ে। প্রতিপক্ষের গুন্ডাবাহিনী ঠেকাতে আপনারও একটা বাহিনী লাগবে। নিজের ভোট রক্ষা করতেও যদি পেশিশক্তির ওপর নির্ভর করতে হয়, তাহলে একজন সাধারণ নাগরিক প্রতিযোগিতা করবেন কীভাবে? তার ওপর আপনার বৈধ পোলিং এজেন্টদেরও নানা অজুহাতে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

তাসনিম জারা লেখেন, এই ব্যবস্থায় এগিয়ে থাকেন তারা, যাদের অস্ত্র আছে, গুন্ডাবাহিনী আছে কিংবা আগে থেকেই বিপুল অর্থ ও প্রভাব আছে। তারপর আমরা প্রশ্ন করি, ভালো মানুষ রাজনীতিতে আসেন না কেন। মানুষ এমন প্রতিনিধি বেছে নেয় কেন। “১০টা হোন্ডা, ২০টা গুন্ডা, নির্বাচন ঠান্ডা”–এই ব্যবস্থা বজায় রেখে আর কী আশা করবেন? নির্বাচনী ব্যবস্থা ঠিক না করলে এই গুন্ডাতন্ত্রই আমাদের শাসন করে যাবে।