October 29, 2026, 4:10 am
শিরোনাম :
ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদসহ মালামাল জব্দ সব সম্পদের বিনিময়ে মুক্তি চান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর এনসিপির জেলা থেকে ওয়ার্ড কমিটিতে থাকতে পারবেন না চলমান শিক্ষার্থীরা কাবা শরীফে পৃথক জামাতের প্রচলন বন্ধ করে এক ইমামের পেছনে নামাজের ১০০ বছর মিরপুরে আলোকস্বল্পতায় বন্ধ খেলা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমাতে চায় সরকার : প্রতিমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব ইসরায়েলিদের সঙ্গে জোট করার আহ্বান বিরোধী নেতার চট্টগ্রামে দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোক স্টুডিওর বিশেষ প্রতিযোগিতা সেনাবাহিনী মোতায়েন ও ইউএনও প্রত্যাহারসহ চার দাবি ১১ দলীয় জোটের

বাংলাদেশকে একটি মানবিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

ন্যাশনাল ডেস্ক

বাংলাদেশকে একটি মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 

তিনি বলেন, শুধু মানুষের প্রতি মানুষ দয়া করবে না। মানুষ প্রকৃতির প্রতি দয়া করবে। মানুষ দয়া দেখাবে প্রকৃতির সৃষ্টির সবকিছুর প্রতি এবং আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি তোমরা সেটি করতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিশু কিশোরদেরকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা যখন বড় হবে, তোমরা চেষ্টা করবে তোমার আশেপাশে যে প্রকৃতি আছে, অর্থাৎ তোমার আশেপাশে যে গাছপালা আছে, তোমার বাড়ির আশেপাশে হোক তোমার স্কুলের মধ্যে হোক তুমি যেখানে যেই জায়গাটি পছন্দ করো সেই জায়গাটির আশেপাশে হোক, যদি কোনো গাছ থাকে যেটি তোমার মতো ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সেই গাছটি যাতে তোমার মতো বড় হতে পারে। তুমি গাছটিকে সাহায্য করো। তুমি গাছটিকে পানি দাও। তুমি গাছটিকে যত্ন করো যাতে সেটি বড় হতে পারে। তুমি যেখানে থাকো তোমার বাসায় হোক, তোমার স্কুলে হোক, সেখানে কোনো না কোনো পশুপাখি তোমার আশেপাশে আছে। এই পশুপাখিও কিন্তু এই দেশের সম্পদ। অর্থাৎ তোমার দেশের সম্পদ। তোমার সম্পদ তুমি চেষ্টা করো পশুপাখির প্রতি সময় দেওয়ার জন্য। তুমি চেষ্টা করো সেই পশুপাখির প্রতি দয়া দেখানোর জন্য। তাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করো।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুকে এই অনুভূতিটুকু, বোধটুকু দিন যে, যাতে করে সে প্রকৃতির প্রতি কাইন্ড হয়। যাতে করে সে প্রকৃতির সৃষ্টি পশুপাখির প্রতি কাইন্ড হয়। আমরা যদি সবাই মিলে চেষ্টা করি আমাদের শিশুদের মধ্যে এই অনুভূতিটা দিতে, এই বোধ শক্তি দিতে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী ইনশাআল্লাহ আমরা একদিন একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো। আমরা যদি প্রকৃতির প্রতি সদয় হই, অবশ্যই প্রকৃতিও আমাদের প্রতি সদয় হবে। কাজেই প্রকৃতির ভেতরেই যেহেতু আমরা বেড়ে উঠি, কাজেই পাশাপাশি যেহেতু আমরা থাকি, সেজন্যই আমরা আমাদের শিশুদেরকে এখন থেকে সেই বোধ শক্তিতে দেওয়ার চেষ্টা করি, যে প্রকৃতির সঙ্গে বেঁচে থাকতে হলে, প্রকৃতির ভেতরে বেঁচে থাকতে হলে আমাদেরকে প্রকৃতিকেও সহযোগিতা করতে হবে। প্রকৃতিকেও প্রকৃতির মতো করে তাদেরকে যেতে দিতে হবে। তাকে সহযোগিতা করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, তোমরা যদি এ ব্যাপারে সচেতন হও, তাহলে আমরা একটা সুন্দর একটি বাংলাদেশ তুলতে পারবো। সুন্দর একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবো। তোমরা যখন রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করো নিশ্চয়ই তোমরা খেয়াল করে দেখেছ যে, বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম আবর্জনা বা ময়লা পড়ে থাকে। যেভাবেই হোক, আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ একটু অসচেতন। যে–কোনো ময়লায়, যে–কোনো আবর্জনা, যে–কোনো জিনিস ব্যবহার হয়ে গেলে সেটি যদি কোনো প্যাকেটে থাকে বা কিছু থাকে, আমরা অসচেতন ভাবে যে–কোনো জায়গায় আমরা ফেলে দেই। আমাকে একটু তোমরা সাহায্য করো।

‘তুমি যেহেতু বড় হচ্ছো, তোমার সামনে কোনো বড় মানুষ যদি কোনো একটি ময়লা বা আবর্জনা বা অব্যবহৃত কোনো জিনিস যন্ত্র যদি ফেলে দিয়ে পরিবেশকে ক্ষতি করে, পরিবেশকে নষ্ট করে, পরিবেশকে ময়লা করে। তুমি ছোট হিসেবে, তুমি তাকে লজ্জা দিয়ে বলতে পারো যে, ময়লাটি সঠিক জায়গায় ফেলুন। আপনি যদি পরিবেশ নষ্ট করেন, আপনি যদি পরিবেশকে ময়লা করেন, তাহলে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হবো। আমি আজকের শিশু, আমি ক্ষতিগ্রস্ত হবো। আমি ক্ষতিগ্রস্ত হব। মানে বাংলাদেশের লক্ষ কোটি শিশু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।