October 29, 2026, 2:26 am
শিরোনাম :
ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদসহ মালামাল জব্দ সব সম্পদের বিনিময়ে মুক্তি চান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর এনসিপির জেলা থেকে ওয়ার্ড কমিটিতে থাকতে পারবেন না চলমান শিক্ষার্থীরা কাবা শরীফে পৃথক জামাতের প্রচলন বন্ধ করে এক ইমামের পেছনে নামাজের ১০০ বছর মিরপুরে আলোকস্বল্পতায় বন্ধ খেলা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমাতে চায় সরকার : প্রতিমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব ইসরায়েলিদের সঙ্গে জোট করার আহ্বান বিরোধী নেতার চট্টগ্রামে দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোক স্টুডিওর বিশেষ প্রতিযোগিতা সেনাবাহিনী মোতায়েন ও ইউএনও প্রত্যাহারসহ চার দাবি ১১ দলীয় জোটের

বাংলাদেশের তরুণদের নিয়ে নেহা বোরার বক্তব্যে উত্তপ্ত ভারতের রাজনীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাংলাদেশের তরুণদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ভারতের জেন-জিরা এখন গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের পক্ষে লড়াই করছেন বলে এক ভিডিও বার্তায় জানান ভারতের ছাত্রনেত্রী নেহা বোরা। তার এমন বক্তব্য নিয়ে উত্তপ্ত হয়েছে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন।

দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপি অভিযোগ করেছে, নেহা বোরার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও তার সহযোগীরা সরকার পতনের চেষ্টা করছে। তারা গণতান্ত্রিক উপায়ের বদলে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন করতে চাইছে।

এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিরোধী দল কংগ্রেস বলেছে, তরুণদের দমানোর জন্য বিজেপি গণতন্ত্রকে সামনে টেনে আনছে।

বিজেপির মুখপাত্র প্রদীপ ভাণ্ডারি বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নেহার ভিডিও প্রকাশ করে বলেছেন, “রাহুল গান্ধীর পোস্টার গার্ল নেহা বোরা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ আমাদের (ভোটাধিকারের) পথ দেখিয়েছে’। এটি সরকার পরিবর্তনের প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি। রাহুল গান্ধী ও তার সহযোগীরা ভারতের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।

পৃথক এক পোস্টে তিনি বলেন, নেহার বক্তব্য দেখিয়েছে রাহুল গান্ধীর সরকারের বিরুদ্ধ অবস্থান নেওয়া শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়। তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস নেতারা বাংলাদেশের আদলে সরকার পরিবর্তন করতে চান।

তার বক্তব্যের প্রতিবাদে কংগ্রেস নেতা রশিদ আলভি বলেছেন, বিজেপি গণতন্ত্রের কথা বলে, যেখানে কংগ্রেস এই গণতন্ত্রের জন্যই লড়াই করছে।

তিনি বলেছেন, “বিজেপি সেই গণতন্ত্রের কথা বলছে, যার জন্য আমরা লড়াই করছি। পুরো দেশ এই গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে। কেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চাওয়া হচ্ছে। কারণ তিনি ভারতের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন।”

“বিজেপি গণতন্ত্রের দোহাই দিয়ে তরুণদের আওয়াজকে রুদ্ধ করতে পারবে না। আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ এবং আমরা কোনোদিন আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াকে সমর্থন জানাইনি। ভারতে সরকার পরিবর্তনের যে কোনো প্রক্রিয়া হবে গণতন্ত্রের মাধ্যমে।”

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া