October 29, 2026, 3:13 am
শিরোনাম :
ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদসহ মালামাল জব্দ সব সম্পদের বিনিময়ে মুক্তি চান মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযুক্ত শিক্ষক সাগর এনসিপির জেলা থেকে ওয়ার্ড কমিটিতে থাকতে পারবেন না চলমান শিক্ষার্থীরা কাবা শরীফে পৃথক জামাতের প্রচলন বন্ধ করে এক ইমামের পেছনে নামাজের ১০০ বছর মিরপুরে আলোকস্বল্পতায় বন্ধ খেলা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা ৫০ শতাংশ কমাতে চায় সরকার : প্রতিমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব ইসরায়েলিদের সঙ্গে জোট করার আহ্বান বিরোধী নেতার চট্টগ্রামে দুই হত্যা মামলায় ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোক স্টুডিওর বিশেষ প্রতিযোগিতা সেনাবাহিনী মোতায়েন ও ইউএনও প্রত্যাহারসহ চার দাবি ১১ দলীয় জোটের

হুথিদের বিরুদ্ধে বিশাল হামলা শুরু করতে যাচ্ছে সৌদি-অংশ নিতে পারে এক লাখ ইয়েমেনি সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশাল হামলা শুরু করবে সৌদি আরব। আর এই হামলার পরিকল্পনা নিয়ে এখন কাজ করছে রিয়াদ।

মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক সূত্র বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, নতুন অভিযানটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর লক্ষ্য থাকবে হুথিদের লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকাগুলো থেকে সরিয়ে দেওয়া। এর পাশাপাশি সব ফ্রন্টে একসঙ্গে হামলাও চালানো হতে পারে।

আর এই হামলার নেতৃত্ব দেবে ইয়েমেনের স্থল বাহিনী। যাদের পরিচালনা করে সৌদি আরব। অপরদিকে বিমান হামলা চালাবে সৌদি বাহিনী।

আঞ্চলিক সূত্রগুলো বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে সৌদিকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে। এছাড়া কিছু আরব ও ইউরোপীয় দেশও রক্ষণাত্মক সামরিক সহায়তা দিচ্ছে সৌদিকে।

হুথিদের বিরুদ্ধে এ হামলায় সৌদির কোনো মিত্র সরাসরি অংশগ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

ইয়েমেনে ২০১৪ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলন হয়। ওই সময় হুথিরা রাজধানী সানাসহ অন্যান্য অঞ্চল দখল করে নেয়। যার ফলে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ বেধে যায়। সৌদি আরব ২০১৫ সালে ইয়েমেনি সরকারকে সহায়তায় এ গৃহযুদ্ধে জড়িত হয়। তারা হুথিদের লক্ষ্য করে হাজার হাজার বিমান হামলা চালিয়েছে। তবে হুথিদের হটাতে পারেনি। এরপর ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হুথি-সৌদি যুদ্ধবিরতি হয়। যা চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত টিকে ছিল।

প্রায় দুই মাস আগে সৌদি বাহিনী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালায়। ওই সময় ইরান থেকে ফেরত আসা হুথি নেতাদের একটি বিমান অবতরণ করছিল। এ ঘটনায় হুথিরা বেশ ক্ষুব্ধ হয়। এরপর তারা সৌদিতে হামলা চালায় এবং তাদের ওপর যে অবরোধ সৌদি আরোপ করে রেখেছে সেটি তুলে নেওয়ার দাবি করতে থাকে।

অবরোধ না তুললে লোহিত সাগর ও বাব এল মান্দেব দিয়ে সৌদির কোনো জাহাজ চলতে দেওয়া হবে না জানিয়ে হুথিরা সৌদির জাহাজে হামলা চালায়।

এরমধ্যে হুথিরা ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা দখল করে নেয়।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, হুথিরা লোহিত সাগরের যেসব অঞ্চল কিছুদিন আগে তড়িৎ অভিযান চালিয়ে দখল করেছে, সৌদির নতুন হামলার লক্ষ্য থাকবে হুথি যোদ্ধাদের সেখান থেকে হটিয়ে দেওয়া।

সূত্র: রয়টার্স