September 13, 2026, 9:56 am
শিরোনাম :
খুনিয়াপালংয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা কারবারের অভিযোগ, আবদুল হককে ঘিরে স্থানীয়দের নানা তথ্য কক্সবাজার সদরের লিংক রোড আবর্জনার দখলে, নজর নেই জনপ্রতিনিধি-প্রশাসনের ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে : হাইকোর্টের রায় অসহায়ের পাশে মানবিকতার হাত—পালংখালীতে ৫ শতাধিক পরিবার পেল ত্রাণ সহায়তা পিএমখালীতে বন্যা পরবর্তী প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ বিতরন কর্মসূচী সম্পন্ন পিএমখালীতে বন্যা পরবর্তী প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের তিন শতাধিক ‘অ’স’হা’য়’ পরিবারের মাঝে এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের ত্রাণ সহায়তা প্রদান গর্জনিয়ায় তিন শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছে এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থা ঈদগাঁও উপজেলার পরিচিতি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ?

অসহায়ের পাশে মানবিকতার হাত—পালংখালীতে ৫ শতাধিক পরিবার পেল ত্রাণ সহায়তা

নূর মোহাম্মদ নূর
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালীতে বন্যা-পরবর্তী দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্র ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছে এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) উখিয়ার পালংখালীতে এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের আয়োজনে এবং এস.কে কর্পোরেশনের অর্থায়নে এ ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব এম এ মোক্তার আহমদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনাব পরিমল কান্তি দাশ। এছাড়াও সংগঠনের মাঠকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পরিমল কান্তি দাশ বলেন, যারা ইতোমধ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ত্রাণ সহায়তা কার্ড পেয়েছেন, তাদের পর্যায়ক্রমে প্রতি ছয় মাস অন্তর তিন বছর পর্যন্ত ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য আরও বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা প্রদানের পরিকল্পনাও রয়েছে, যার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম এ মোক্তার আহমদ বলেন, এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে অসহায় প্রতিবন্ধী ও সমাজের হতদরিদ্র সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সমাজের সার্বিক পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, মহৎ ও মানবিক কার্যক্রমে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিরাও সংগঠনের মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে বক্তব্য রাখেন এবং এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

পরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে উখিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সংগঠনের নিবন্ধনকৃত ৫ শতাধিক প্রতিবন্ধী ও অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

ত্রাণ সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা এস.কে প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়দের মতে, বন্যা-পরবর্তী সময়ে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগ মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।